একুশের আগুনে জ্বলে উঠুক নতুন প্রজন্ম
অন্ধকার যত ঘন হয়, আলোর প্রয়োজন ততই বাড়ে। একুশ সেই আলো—যে আলো পথ হারানো মানুষকে আবার সত্যের পথে ফিরতে শেখায়। ফিরে আসুক সেই চেতনা, যে চেতনায় বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সালাম, রফিক, বরকতরা।
সময় এখনও শেষ হয়ে যায়নি। ইতিহাস মুছে যায়নি। আমাদের দায়ও ফুরায়নি। শহিদদের রক্তে লেখা বর্ণমালার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার আজও জীবন্ত। অ, আ, ক, খ—শুধু অক্ষর নয়, এ আমাদের আত্মপরিচয়, আমাদের অস্তিত্বের শিকড়।
ভয়কে ভেঙে সাহসী হওয়ার শিক্ষা দেয় একুশ। অজ্ঞতার অন্ধকার সরিয়ে জ্ঞানের আলো ছড়াতে শেখায়। হৃদয়হীনতার দেয়াল ভেঙে ভালোবাসায় বেঁধে রাখে বাংলা ভাষাকে।
আজ আমরা শপথ নিই—একুশ কখনও মাথা নত করবে না। একুশ মানে আত্মমর্যাদা, একুশ মানে প্রতিবাদ, একুশ মানে বেঁচে থাকার সাহস। শহিদ মিনারের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা আবার মনে করি ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের সেই অমর চেতনা—
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?”














